
প্রেস সেক্রেটারি শফিকুল আলম: ৯৩.০৬ বিটিসি (১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ১০০ কোটি টাকা)
উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম: ২০৪.৬৪ বিটিসি (১৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ২২০ কোটি টাকা)
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভূইয়াঁ: ১১৩ বিটিসি (১২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ১২০ কোটি টাকা)
সরজিস আলম: ৭.৭৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ৮০ কোটি টাকা)
খান তালাত মাহমুদ রাফি: ১১.০৯ বিটিসি (১.২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ১২ কোটি টাকা)
এশিয়ার রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি বিষয়ক অন্যতম ওয়েবসাইট এশিয়াপোস্ট নিউজ গত ২৫ ফেব্রুয়ারি একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে যাতে দাবি করা হয় যে ইউনুস সরকারের প্রেস সেক্রেটারি শফিকুল আলম, উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম এবং আসিফ মাহমুদ সাজিব ভূইয়াঁ, এবং সমন্বয়কারী সারজিস আলম ও খান তালাত মাহমুদ রাফি শীর্ষস্থানীয় ক্রিপ্টোকারেন্সি এক্সচেঞ্জ প্লাটফর্ম ‘বিনান্স’ অ্যাকাউন্টে মিলিয়ন মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করেছেন। এশিয়াপোস্ট প্রতিবেদনের সমর্থনে তাদের অ্যাকাউন্টের পরিষ্কার স্ক্রিনশটও প্রকাশ করেছে।
এসব স্ক্রিনশটে দেখা যায় যে শফিকুল আলম তার একাউন্টে ৯৩.০৬ বিটিসি জমা করেছেন, যা প্রায় ১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ১০০ কোটি টাকার সমতুল্য। একইভাবে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামের বিনান্স ব্যালেন্স ২০৪.৬৪ বিটিসি, যা ২২০ কোটি টাকারও বেশি (প্রায় ১৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)।
এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভূইয়াঁ ১১৩ বিটিসি জমা করেছেন, যা প্রায় ১২ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমতুল্য।
এই কেলেঙ্কারিতে সবচেয়ে আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্ব হলেন তথাকথিত বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়কারী সারজিস আলম, যিনি কোন সরকারি পদে নেই এবং যার কোন উল্লেখযোগ্য আয়ের উৎস নেই। তবু তিনি প্রায় ৭.৭৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার জমা করেছেন বলে জানা গেছে। সারজিষ আলমের মতোই খান তালাত মাহমুদ রাফি, যিনি কোন সরকারি পদে নেই, তিনি ১১.০৯ বিটিসি জমা করেছেন, যা একজন সাধারণ বাংলাদেশী ছাত্র নেতার জন্য একটি অবিশ্বাস্য পরিমাণ অর্থ।
এই প্রতিবেদন ইউনুস সরকারের জন্য আরেকটি বড় ধাক্কা। যারা একসময় ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্রের পক্ষে দাঁড়ানোর দাবি করেছিলেন, তারা এখন অনিয়ন্ত্রিত দুর্নীতিতে জড়িত এবং এই সবই ঘটছে যখন বাংলাদেশ তার ইতিহাসের সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং সময়গুলোর একটির মুখোমুখি। যার মধ্যে রয়েছে দুর্নীতি এবং আইন ও শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি।